One Step Forward

Friday, August 17, 2018

Atal Bajpayee is no more with us | বিদায় বাজপেয়ী

collected from google

তখন নেহাতই অর্বাচীন। রেডিওতে তাঁর নাম শুনতাম পটল বিহারী বাজপাখি। আর হাসতাম খুব। তারপর যখন প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন তখন আমি কলেজ। ১৩ দিনের পর ১৩মাস। তারপর স্থায়ী সরকার। তখনও খুব একটা মনে ধরেনি তাঁকে। দেশনেতার মধ্যে যে হিরোইসম, যে ক্যারিশ্মা, যে আগ্রাসন থাকার কথা তাও পাইনি। বরং ধীরে ধীরে হাঁটা, থেমে থেমে নিচু গলায় কথা বলা দেখে ব্যঙ্গও করেছি। অটল না হয়ে টলমল বিহারী হলে ভালো হতো। এছাড়া কারগিল কাণ্ডে গোয়েন্দা দপ্তরের ব্যর্থতা, কফিন কেলেঙ্কারির জন্য খবর দেখে প্রভাবিতও হয়েছি। 
কিন্তু তারপর যখন তাঁর দল ক্ষমতায় নেই। তখন গ্রামে গ্রামে জলকাদা ভরা রাস্তা গুলোতে গিয়ে অবাক! প্রায় সব রাস্তা ঢালাই বা পিচ। ফলক লাগানো 'প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা'। সেদিন অনুভব করেছি হাঁটুর সমস্যায় নিজে ভালো করে হাঁটতে না পারলেও, প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষেরা নিরাপদে হাঁটতে পেরেছে তাঁরই কল্যানে। গ্রামে ঢুকতে পেরেছে অ্যাম্বুলেন্স।
আর আজ যখন দুর্গাপুর এক্সপ্রেস ওয়ে দিয়ে দুরন্ত বেগে বাইক চালাই তখন দেখি বাঁকুড়া, দুর্গাপুর, বর্ধমানের মানুষেরা কেমন অল্প সময়ে পৌঁছে যাচ্ছেন কলকাতায়। তাঁর সোনালী চতুর্ভুজের ওই রাস্তা বিপ্লব এনেছে যোগাযোগ ব্যবস্থায়। দিল্লী রোড, জিটি রোড থাকলেও বাংলার মানুষ প্রথম হাইরোডের গতি পেয়েছে তাঁরই পরিকল্পনায়।
যখন দেখি মুম্বাই ভাসছে বন্যায়,এদিকে অন্ধ্রে খরা পরিস্থিতি, তখন অনুভব করেছি তাঁর নদী সংযুক্তিকরনের ভাবনা কতোটা যুক্তিসঙ্গত ছিল।
সর্বশিক্ষা অভিযানের রূপকার তিনি। এই প্রকল্পের স্পর্শে ভারতের বিদ্যালয় শিক্ষার চালচিত্রই বদলে যায়। মরা গাঙে আসে জোয়ার। তার সুফল আজ ভোগ করছে ভারতবাসী।
উগ্রতা ছিলোনা তাঁর মধ্যে।আর ছিলোনা বলেই জাত ধর্ম না দেখে আব্দুল কালামকে বসিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতির পদে। ভারত পেয়েছিলো একজন প্রকৃত শিক্ষিত চিন্তাশীল অরাজনৈতিক রাষ্ট্রপতি। এতে তাঁর অবদান কম নয়।
আবার যেদিন কলকাতায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়ে তাঁর মায়ের পা ছুঁলেন। সেদিন বুঝেছি বিনয়ী কাকে বলে। পদমর্যাদা কখনোই বাধা হয়না সৌজন্যবোধে। শিখিয়েছেন তিনি।
আজ যখন নেতা নেত্রীদের আস্ফালন, বুলিবচন, ভুলবকায় কান ঝালাপালা। তখন মনে হয় তিনি ছিলেন, কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবার নীতিতে বিশ্বাসী।
আজ তাঁর চলে যাবার দিনে খারাপ লাগছে এই ভেবে যে সেদিন সঠিক মূল্যায়ন করতে পারিনি তাঁর। তিনি ছিলেন রাজনীতির রাহুল দ্রাবিড়। সৌজন্য ভদ্রতা বজায় রেখে নীরবে কাজ করায় বিশ্বাসী। শ্রদ্ধা রইলো তাঁর প্রতি। দেশ হারালো একজন চিন্তাশীল প্রধানমন্ত্রীকে। বিদায় বাজপেয়ী। রেস্ট ইন পিস।

Wednesday, August 8, 2018

Childhood Days - Reconciliation - আমার শৈশব

Image collected from Google


শৈশবে বর্ষা ছিল, নিম্নচাপ ছিলনা। 
ঝরোঝরো দিনে ইস্কুল কামাই। 
এখনকার মত গেম ছিলনা। খেলা ছিল, তেমন খেলনা ছিলনা। 
অগত্যা কাগজের নৌকা বানিয়ে বাড়ির সামনে তিরতির করে বয়ে চলা বৃষ্টির জলে নৌকা ভাসানো, তার সাথে আমার শৈশব ভাসত।

খিচুড়ি অবধারিত। ডিম ভাজা কম পড়লে মাকে জড়িয়ে ধরে পাওনা মেটাতাম।
নিয়ম মেনেই এর পরে কাশফুল আসতো, আজও আসে, 
তবে অপু দূর্গারা তার গায়ে আজ হাত বোলায় না, 
সামনে সেলফি, পেছনে কাশফুলের ভেলকি। 
সেই সময় স্কুলে এত রকস্টার, সেমিস্টার, প্রজেক্ট ছিলনা।

কেশব নাগ ছিল, পি কে দের ইংরাজি ছিল।
এমন বর্ষাতে কাঁথা মুড়ি ছিল, বেগুনি আর মুড়ি ছিল,
ছপাৎ ছপাৎ জল দাপানো ছিল, 
টুনটুনির গল্প ছিল, এখনকার বিরল চড়ুই পাখি সরল ছিল, গল্পদাদুর আসর ছিল।

মা, মাসির গলায় গান ছিল, পরিবারে প্রাণ ছিল,
এল,ই ডি আলোর বদলে শিউলি ফুলের আলো ছিল,
ধক্ ছিলো, রক ছিলো, সব কিছুই ভাল ছিল।
অভাব ছিল, তাকে ঢেকে দিত স্বল্প পাওয়ার সুখ।
জ্যামিতির বাক্সকে কানে ধরে হ্যালো হ্যালো বলা ছিল,
জীবনবোধের সহজ পথে চলা ছিল।
কণিকার গান ছিল, পূজো আসার রব ছিল,
থিম ছিলনা, মা ছিল, একচালাতেই দেখা দিত, কূপন ছাড়াই প্রসাদ দিত।
সব হারালাম, এগিয়ে গেলাম, হরেক রকম ফন্দি/ জীবন এখন ভীষনভাবে মুঠোফোনে বন্দী।

খোলা চিঠি মিডিয়ার প্রতি - An open letter to media

Collected from Google


|| মিডিয়াকে একটি খোলা চিঠি ||

মাননীয় চামচবাবু,
ঐতিহাসিক শিক্ষক সমাবেশর খবর না দেখানোর জন্য, আপনাদের ওপর ওই শিক্ষককূলের কত না রাগ, দেখছেন নিশ্চয়ই । কেউ বলছে TV দেখবো না, কেউ বলছে কাগজ কিনবো না। কিন্তু ওই সামান্য প্রাইমারি মাস্টারগুলো জানেই বা কি , আর করবেই বা কী ! যদি জানতো নিয়মানুবর্তিতা না মেনে ,ঘড়ির কাঁটা কে সাথী করে শিক্ষিক সুলভ ভাষা ব্যবহার করে রাজপথে কাঁপন ধরালেও সেটা ওদের ভদ্রতা। ওই আমিষ ভদ্রতা দিয়ে মাস্টারি করা যায়, ইভেন্ট হওয়া যায় না। আপনার রিপোর্টারবাবুরা তো এসেছিল বুম হাতে নিয়ে ঘুরছিল, আসলে ওরা ইভেন্ট খুঁজছিল -যদি কেউ গুলিয়ে গিয়ে অশিক্ষিকসুলভ ভাষা ব্যবহার করে ,সংগে সংগে সেটা হবে ইভেন্ট, আপনার পা চাটা সাংবাদিকরা তথ্য সহ আলোচনা বসবেন কত ডিগ্রি খারাপ এই কাজকারবার - আর হেডলাইনতো টাইপ করাই ছিল -এরাও শিক্ষক!
মিছিলে বোধহয় আপনাদের আরো সাথী ছিল যারা হতাশ হল -এই বুঝি কিছু গন্ডগোল হল। সেটাই ইভেন্ট হতো -কিন্তু হতাশা ছাড়া আপনাদের সাংবাদিকদের আমরা আর কিছুই দিতে পারলাম না, এর জন্য আমরা দুঃখিত । দেখুন না মিড-ডে-মিলের বেনিয়ম আপনারা কিরকম দিন রাত প্রচার করেন। কিন্তু প্রতিদিন কত হাজার হাজার ছেলে মেয়ে সুষ্ঠ ভাবে মিড-মিল গ্রহন করে তা আপনাদের চোখে পড়ে না। কোন দিদিমণি কত দামী শাড়ি শালোয়ার পরে বিদ্যালয়ে এল সেটা কতটা ভয়ঙ্কর তা নিয়ে আপনাদের আলোচনার শেষ নেই,কিন্তু যে বিদ্যালয়ের কথা বলেন সেখানে কটা ব্ল্যাকবোর্ড রয়েছে তার কথা আপনারা চেপে যান। এই তো দেখুন না আজকের একটা কাগজ বলছে কাল উপস্থিত ছিলেন 5 -7 হাজার মাত্র, আর একটি কাগজ বলছে 2 ঘন্টা রাস্তা বন্ধ ছিল ,একেবারে ছবি সহ প্রমান হাজির করেছেন । কিন্তু এত বড় মিছিল আর মিটিং আপনাদের চোখে পড়ল না। এই দুটি তথ্যের কোন ভাবেই সাযুজ্য পাওয়া যাবে ? আসলে আপনারাও জানেন মিথ্যা ঢাকতে অনেক মিথ্যা বলতে হয়। এ লজ্জা আপনাদের যারা প্রচার করেন আমরা নিরপেক্ষ,আমরা গনতন্ত্রের তৃতীয় স্তম্ভ । ধিৎকার আপনাদের যারা সমাজ টাকে ভাগাড় বানিয়ে শকুনের মতো রক্তাক্ত খবর খোঁজেন। ভাগাড়ের এক কোনে একটা সুন্দর চারা গাছ চোখে পড়ে না। আপনাদের ব্যবসা আরো জাঁকিয়ে বসুক। আপনাদের প্রতি অনেক করুণা রইল।
 ধন্যবাদ 

Tuesday, April 24, 2018

প্রথম বসন্ত - মানসী

prothom_bosonto
ছবিটি সংগৃহীত
প্রথম বসন্ত

ভরের নিত্যতা সূত্র ব্যাখ্যা থামিয়ে 
হঠাৎ যদি প্রশ্ন করি ক্লাস নাইনের অঙ্কিতাকে 
প্রেমে পড়েছিস তাইনা?
কোথায় ছিলি এতক্ষণ?
এড়িয়ে যেতে চাইবে প্রাণপণে,
জানি ধরা দেবে না কিছুতেই।

কিন্তু তোর বিবাগী চোখের তারায়
হারিয়ে গেছিস তুই।
কেমন যেন সব নতুন নতুন,
এই দিন -রাত, আকাশ -বাতাস,
বৃষ্টি -বাদল, দুপুর -বিকেল,
আর আয়নায় তুই নতুন নিজে।

একটা কুঁড়ি সদ্য মেলছে নিজেকে,
সকালে সূর্যের নরম আলোর সোহাগে
আর দখিনার দোলায় 
একটা একটা করে খুলছে পাপড়ির বন্ধন। 
চোখ মেলে দেখছে নতুন পৃথিবী কে। 
একটা দুটো ভ্রমরের আনাগোনা।
কি ঋতু এখন? এটাই বসন্ত!

বইয়ের পাতায় পাতায় সিনেমা,
গান গাইছে কেউ।
দিবাস্বপ্ন সাইকোলজি সিলেবাসে।
বলবি আমায় তোর গল্পগুলো?
যেমন বলিস প্রিয়া কে, পূজা কে।
ভীষণ জানতে ইচ্ছে করে
সেই একই বসন্ত কি 
ঘুরে এসেছে তোরও কাছে ?

......মানসী ...

কৌশলে খাতা দেখার নাম কাটিয়ে দেন


exam-paper
ছবিটি সংগৃহীত

কৌশলে খাতা দেখার নাম কাটিয়ে দেন


এমন অনেক শিক্ষক শিক্ষিকা আছেন যারা কৌশলে খাতা দেখার নাম কাটিয়ে দেন। এমন প্রচুর উদাহরণ আছে। এই ব্যাপারে অনেক প্রধান শিক্ষক শিক্ষিকা গনও ঐ সকল শিক্ষক শিক্ষিকা দের খাতা দেখার নাম কাটতে সাহায্য করেন। এই ক্ষেত্রে স্কুল প্রধান দের উদ্দেশ্য হল ওনার স্কুলে শিক্ষক শিক্ষিকা গন রোজ স্কুলে আসবেন। স্কুল ঠিক মত চলবে। খাতা দেখার ছুটি নেবেন না। শূধু স্কুলে পড়ালে হবে। পরীক্ষা ঠিক মতো নেওয়া ও খাতা দেখে সময় মতো ফল প্রকাশ করা এটাও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কোনো নেতিবাচক ধারণা থেকে বলা নয়,কিন্তু ৩ টি ভাষায় question paper আলাদা হলে আমাদের মত বয়স্কদের বহন করতে সুবিধা হয়,খাতা গুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও student er ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ই এই কথা বলা।কারোর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থেকে নয় বরং সুন্দর করে কাজের জন্য ই বলা। যারা বিরূপ মন্তব্য করতে চান করুন। পুরো ব্যাপারটা আগে জানুন তারপর মন্তব্য করতে হলে করুন। এক মাত্র বিজ্ঞান বিষয়ে 50 বা কিছু বেশি খাতা পেয়ে থাকেন মাননীয় শিক্ষক শিক্ষিকা গন। কলা বিভাগের অবস্থা আগে জানুন তার পর না হয় মন্তব্য করবেন।

কবিতা - ও কিছু না - দেবাশিস লাহা

protest-against-rape
ছবিটি সংগৃহীত

ও কিছু না

কবি- দেবাশিস লাহা

"আয় তোকে আদর করি "
এই বলে মেয়েটার পিছু নিল এক হাজার দাঁত আর নখ !

ছুট ! ছুট! ছুট !
ছুটতে ছুটতে মাটি চিরে ফেললো মেয়েটার পা 
বললো -- আমায় ফিরিয়ে নাও !
মাটি বললো না !
মেঘ ছুঁয়ে ফেললো ওড়না!
বললো -- "আমায় উড়িয়ে দাও "
মেঘ বললো না !
সূর্য ছুঁয়ে ফেলল চোখ 
বললো "আমায় পুড়িয়ে দাও "
সূর্য বললো না !
বাতাস জড়িয়ে ধরলো ঠোঁট 
বললো "আমায় কুড়িয়ে নাও "
বাতাস বললো না !

তবু ছুটতে থাকল মেয়েটা
ঘাসের উপর ছিটকে পড়ল স্কুল ব্যাগ! 
সকাল ফুরিয়ে দুপুর , দুপুর ফুরিয়ে বিকেল !
তবু পিছু ছাড়ল না থাবা ! 
শিশিরের মতো মিলিয়ে গেল দূরত্ব, 
এক দিন মেয়েটাকে ধরেই ফেললো ওরা

তারপর শুধু মট মট শব্দ !
এত কিছু ভাঙা যায় কে জানতো !
প্রথমে চুড়ি,
তারপর আঙুল আর হাত ,
তারপর পা !
সব কিছু ভাঙতে ভাঙতে আরও 
এগিয়ে এলো ওদের থাবা,
ঝনঝনিয়ে ভেঙে গেলো পুতুল বাড়ি,
টেডি বিয়ার--- 
আরও কত কি!

বাবার মুখ, ছোট্ট ভাই বিনুর চোখ ,
মামা বাড়ির নদী, পাশের বাড়ির ছাদ ,
এমন কি ইস্কুলের জানালা দিয়ে দেখা ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টি ! 
তাও ভেঙে ফেলল ওরা !

ঠিক তখনই নেমে এলো অন্ধকার, 
এক বুক জোনাকি নিয়ে জড়িয়ে ধরলো ওকে

"তোর নাম কি রে ? " ফিসফিসিয়ে জানতে চাইল মেয়েটা,
"কেন , চিনলি না আমায়? আমি যে তোর নীল পরী "
"ওহ, তাই বুঝি এত দেরি করে এলে ? "
টুপ করে একটা শব্দ, 
ও কিছু না ! 
ঘাসের উপর গড়িয়ে পড়লো আরেক ফোঁটা রক্ত

---
জায়গা রাখিস থেকে

নীলখাম - সময় ছিঁড়ছে নীল খাম

blue_envelope_poem
ছবিটি সংগৃহীত
নীলখাম
অনিতাদিকে ভালো শাড়ি পরতে দেখিনি কখনো।
অন্য দিদিমনিদের পাশে বড্ড বেমানান।
রং -জ্বলা দু -তিনটে সিন্থেটিক শাড়ির একঘেয়ে নিঃশব্দ আবর্তন।

ব্লাকবোর্ডে মুখ ঘষে ঘষে ফুরিয়ে যাচ্ছে চক।
মূর্ত হৃৎপিণ্ড, ধমনী, শিরা -উপশিরা।
ভাগাভাগি হৃৎপিণ্ড - এপাশে লাল 
নীলকন্ঠ রঙে রাঙানো ওপাশ।
পিছনের বেঞ্চে সকৌতুক কৈশোরী ফিসফাস, 
ঠোঁট চাপা হাসি চোখের অবাধ্যতায়।
ভাঁজে ভাঁজে সংকুচিত সিন্থেটিক শাড়ি, অনাবৃতা গোড়ালি।
ঢিলেঢালা অন্তর্বাসের শিশুসুলভ উঁকি ঝুঁকি।
ফরসা খড়ি ওঠা চামড়া, ফ্যাকাসে টানা টানা চোখ।
অতি বড় আনাড়ি পুরুষ ও বলে দেবে এ নেহাতই অবহেলা।

নীল খামে মোড়া প্রশ্নপত্র উড়ত স্কুল চত্ত্বরে।
সেদিন হঠাৎ সুপর্ণার সঙ্গে দেখা।
সুন্দরী সুপর্ণা, স্কুলের গর্ব সুপর্ণা।
বয়েজ স্কুলের মেধাবী দূর্বারাজদা -
চুপিচুপি চিঠি, লুকিয়ে চুরিয়ে দেখা।
সে নাকি ওয়েল সেটলড বিদেশে!

জীবন বিজ্ঞান এর ম্যাডাম সুপর্ণার পরনেও এখন সিন্থেটিক শাড়ি।
ফ্যাকাসে টানাটানা চোখ - বড্ড বেমানান।

সময় ছিঁড়ছে নীল খাম।

Find Us On Facebook

Find Us On Google+

Popular Posts

Recent Posts

Unordered List

Text Widget

Powered by Blogger.